Skip to main content

Featured

শিকার রোহিত, গিল ও কোহলি, সকালের সেশনে হাসানের হাসি

  ক্রিকেটের মাঠে রোহিত শর্মা, শুবমান গিল ও বিরাট কোহলির ব্যাটিং আর হাসান আলির হাসি—এমন দৃশ্য সবসময়ই মুগ্ধকর। সকালে সেশনে যখন রোহিত ও গিল রান তুলছিলেন, তখন কোহলির উপস্থিতি এক ভিন্ন রকমের শক্তি যোগায়। হাসান আলির হাসি যেন সব চাপের মধ্যে একটু হালকা মুহূর্ত সৃষ্টি করে। এই তিনজনের মধ্যে টিম স্পিরিট আর একে অপরের প্রতি সমর্থন খেলা দেখতে আরও মজাদার করে তোলে। মাঠে তাদের হাসি-ঠাট্টা এবং খেলার মানসিকতা সব কিছুই ক্রিকেটের সৌন্দর্য বাড়ায়।  চেন্নাই টেস্টের প্রথম দিনে ভারতের এই ভাঙন সত্যিই হতাশাজনক। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করতে পারল না দল। ৪৩ ওভারে ১৪৮ রানে ৬ উইকেট হারানো মানে চাপ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।  ভারতের ব্যাটসম্যানদের কাছে প্রত্যাশা ছিল আরও ধারাবাহিকতা এবং দৃঢ়তা দেখানোর, কিন্তু সময়ের আগেই উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার ফলে পরিস্থিতি এখন খুবই কঠিন। এখন ব্যাটিংয়ের দায়িত্ব নিতে হবে যাদের হাতে এখনও উইকেট আছে। আশা করা যাচ্ছে, তারা যেন নিজেদের সামলিয়ে পরবর্তী সেশনে দলের স্কোর বাড়াতে পারে।  Keywords ভারতকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ ভারতকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ  নেই ৬ উইকেট ভার...

একজন বালক

একজন বালক তার মা’কে প্রশ্ন করলো,
আম্মু!! আপনি কেনো কাঁদেন?
- কারণ, আমি একজন নারী!
- আম্মু!! আপনার কথার মর্ম আমি বুঝতে পারিনি।
মা ছেলেটিকে বুকে জড়িয়ে বললেন,
বাবা! তুমি এর মর্ম কখনো বুঝতেও পারবে না।
:
এরপর বালকটি তার বাবা কে গিয়ে প্রশ্ন করলো,
আব্বু!! আম্মু শুধু শুধু কেনো কাঁদেন?
-তার বাবা জবাবে বললো, সব নারীরাই অনর্থক কাঁদে।
এদের কাঁদার জন্য নির্দিষ্ট কারণ লাগে না।
বালক বাবার জবাবেও তুষ্ট হতে পারলো না।
তার মনে এই প্রশ্ন থেকেই গেলো।
:
ধীরে ধীরে বড়ো হতে লাগলো বালক।
কিন্তু নারীর কান্নার কারণ তার কাছে রহস্যই থেকে গেলো।
:
একদিন সে একজন বিজ্ঞ আলেমের দরবারে হাজির হলো।
জিজ্ঞেস করলো, হুজুর!! নারী কাঁদে কেনো??
মাওলানা সাহেব বালকের মুখের দিকে তাকিয়ে,
মুচকি হেসে জবাব দিতে শুরু করলেন।
বললেন, প্রিয়!! আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যখন নারীকে সৃষ্টি করেন,
তখন ১. তাকে সামর্থবান ও প্রশস্ত স্কন্ধের অধিকারী করেছেন,
যাতে সে তার কাঁধে জাগতিক সকল প্রতিকূলতার বোঝাকে অনায়াসে বহন
করতে পারে।
:
২. পেলব-কোমল দু’টি বাহু দান করেছেন,
যাতে বাহুদ্বয়ের বন্ধনে জড়িয়েপ্রিয়দের মাঝে তৃপ্তি বিলাতে পারে।
:
৩. তার অন্তকরণকে ও অভ্যন্তরকে এমন সুদৃঢ় করেছেন,
যেনো সে সন্তান ধারণে সামর্থবান হতে পারে এবং সন্তান বড়ো হলে সন্তান কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কষ্টকে সহ্য করতে পারে।
:
৪. তাকে এমন দৃঢ়তা দান করেছেন,
যেনো সে পরিবারের সকল অবহেলা ও গঞ্জনা সহ্য করেও তাদের সেবা করতে
পারে এবং কোনো প্রকার অভিযোগ না করেই শত কষ্টের ভীড়ে জীবন কাটাতে পারে।
:
৫. তার অন্তরে সন্তানের প্রতি এমন ভালোবাসার আধার ঢেলে দিয়েছেন,
যা অনিঃশেষ ও অপরিবর্তণীয়।
যদিও কোনো কুলাঙ্গারসন্তান
পরবর্তীতে তাকে দুঃখেরসাগরে নিক্ষেপ করে।
:
৬. তাকে আঁজলা ভরে অশ্রু দিয়েছেন,
যাতে সে প্রয়োজনে অশ্রু প্রবাহিত করতে পারে এবং নিজের ওপর বয়ে
যাওয়া ঘাত-প্রতিঘাতকে মন থেকে ঝেড়ে ফেলে জীবনযুদ্ধে বিজয়ী
পরিব্রাজকের মতো গন্তব্যের পানে হেঁটে যেতে পারে।
:
এগুলোই তার দূর্বল হওয়া ও অশ্রু প্রবাহের কারণ।
তার এসকল কোরবানির কারণেই পৃথিবীতে নারীর অশ্রুকে মূল্যায়ন করাহয়। অনর্থক হলেও তার অশ্রু বৃথা যায় না।
:
বন্ধুরা!! মা! আম্মা! আম্মা জান!! আম্মু!!
যে নামেই আমরা তাঁকে ডাকি না কেনো,
সব নামের মাঝেই লুকিয়ে আছে প্রভূর অপার করুণার প্রতিচ্ছবি।
পৃথিবীতে এই এক স্বত্তা ফেরেস্তার প্রতিমূর্তি।
যিনি সুখে-দুঃখে আগলে রাখেন সংসারকে। সন্তানকে। সমাজকে।
কোনো প্রকার অভাব- অভিযোগ না করেই কাটিয়ে দেন জীবনকে।
হাসি-মুখে জলাঞ্জলি দেন নিজের সব স্বপ্ন-সাধকে।
:
বন্ধু!! নারীকে যেনো সৃষ্টিই করা হয়েছে কোরবানি করার জন্য।
কখনো বোন হয়ে ভাইয়ের স্বপ্ন পূরণে।
কখনো স্ত্রী হয়ে স্বামীর প্রতিষ্ঠায়।
কখনো মা হয়ে সন্তানের জীবনকে রাঙাতে।
:
বন্ধু!! হয়তো তার কোরবানির বদৌলতেই তার নাম মর্যাদার শিখড়ে চড়েছে।
নবী সা.-এর বক্তব্যে তার কোরবানির ঋণকেই হয়তো স্মরণ করিয়ে দেয়া
হয়েছে “ ﺍﻟﺠﻨﺔ ﺗﺤﺖ ﺍﻗﺪﺍﻡ ﺍﻣﻬﺎﺕ ” জান্নাত মায়ের পদতলে ঘোষণা করে।
:
বন্ধু!! কখনো তোমার নাভিটা খেয়াল করেছো?
তা তোমার মায়ের সাথে জুড়ে ছিলো।
দুনিয়ায় আসার প্রয়োজনে তা ছিন্ন করেছো।
কিন্তু তার চিহ্ন তোমার শরীরে আ-মরণ থাকবে।
যেনো তাঁকে ভুলে না যাও।
:
তিনিই তোমার মা। তোমার জান্নাত। তোমার সুখের নিবাস।
যিনি তোমাকে লালন করেছেন নিজের রক্ত পান করিয়ে।
যিনি তোমাকে চলতে শিখিয়েছেন নিজের স্বত্তাকে বিলিয়ে দিয়ে।
তোমার সুখের আশায় যিনি নিজেকে তিলে তিলে ক্ষয় করেছেন।
:
বন্ধু!! তাঁকে ভালো রেখো।
প্রভু!! তাঁকে সুখে রেখো।
:
হে আল্লাহ!! আমাদের জীবিত মায়েদের উপর রহম করো।
হায়াতে তাইয়্যেবা নসীব করো।
আর যাঁদের মা নেই তাদের মরহুমা আম্মাকে
জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করো। আমীন।।
ﺭﺏ ﺍﺭﺣﻤﻬﻤﺎ ﻛﻤﺎ ﺭﺑﻴﺎﻧﻲ ﺻﻐﻴﺮﺍ _

Comments