Skip to main content

Featured

শিকার রোহিত, গিল ও কোহলি, সকালের সেশনে হাসানের হাসি

  ক্রিকেটের মাঠে রোহিত শর্মা, শুবমান গিল ও বিরাট কোহলির ব্যাটিং আর হাসান আলির হাসি—এমন দৃশ্য সবসময়ই মুগ্ধকর। সকালে সেশনে যখন রোহিত ও গিল রান তুলছিলেন, তখন কোহলির উপস্থিতি এক ভিন্ন রকমের শক্তি যোগায়। হাসান আলির হাসি যেন সব চাপের মধ্যে একটু হালকা মুহূর্ত সৃষ্টি করে। এই তিনজনের মধ্যে টিম স্পিরিট আর একে অপরের প্রতি সমর্থন খেলা দেখতে আরও মজাদার করে তোলে। মাঠে তাদের হাসি-ঠাট্টা এবং খেলার মানসিকতা সব কিছুই ক্রিকেটের সৌন্দর্য বাড়ায়।  চেন্নাই টেস্টের প্রথম দিনে ভারতের এই ভাঙন সত্যিই হতাশাজনক। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করতে পারল না দল। ৪৩ ওভারে ১৪৮ রানে ৬ উইকেট হারানো মানে চাপ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।  ভারতের ব্যাটসম্যানদের কাছে প্রত্যাশা ছিল আরও ধারাবাহিকতা এবং দৃঢ়তা দেখানোর, কিন্তু সময়ের আগেই উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার ফলে পরিস্থিতি এখন খুবই কঠিন। এখন ব্যাটিংয়ের দায়িত্ব নিতে হবে যাদের হাতে এখনও উইকেট আছে। আশা করা যাচ্ছে, তারা যেন নিজেদের সামলিয়ে পরবর্তী সেশনে দলের স্কোর বাড়াতে পারে।  Keywords ভারতকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ ভারতকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ  নেই ৬ উইকেট ভার...

#জমজম_কূপের_রহস্য, যেখানে বিজ্ঞান ব্যর্থ.

২৪ জন ডুবুরি জম জম কূপ তলদেশ থেকে
নিয়ে এল অজানা তথ্য !কুদরত দেখে
অবাক বিজ্ঞানীরা ষাটের দশকের কথা,
তখন ছিল বাদশাহ খালেদের শাসনামল।
ওই সময় আধুনিক যন্ত্রপাতির দিয়ে পরিষ্কার
করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল জম জম কূপটি।
জম জম কূপটি পরিষ্কারের কাজ
তত্বাবধান করেন প্রকৌশলী ইয়াহইয়া কোশক।
,
ইয়াহইয়া কোশকের প্রদত্ত বিবরণ
থেকে বলা যায়, বড় ধরনের কয়েকটি
পাথরের তলদেশ থেকে প্রবল বেগে
পানি উৎসারিত হচ্ছে। সবচাইতে বড়
পাথরের চাঙ্গটির উপর স্পষ্ট আরবী
হরফে ’বিছমিল্লাহ কথাটি উৎকলিত
রয়েছে। আব্দুল মুত্তালিব-এর সময়
কুপের গভীরতা ছিল মাত্র ১৪ ফুট।
খলিফা মামুনুর রশীদের আমলে পুনরায়
খনন করা হয় এই জম জম কুপ। এ সময়
পানির নিঃসরণ খুব বেড়ে গিয়েছিল।
এমনকি কূপের বাইরে উপচে পড়া শুরু
করেছিল। দীর্ঘ কয়েক শতাব্দী পর
সৌদি সরকার আধুনিক মেশিনের
সাহায্যে কুপকে পুনঃখনন করেন।
,
২৪ জন ডুবুরি কুপের তলদেশে
গিয়েছিলেন তা পরীক্ষা নিরিক্ষা করার জন্য।
ডুবুরিরা দেখেন,
সেখানে রং-বেরংয়ের মাটির স্তর
জমাট বেঁধে আছে, আর অবিরাম
নির্গত পানিকে পরিশোধন করছে।
তারা আল্লাহর এ কুদরত দেখে
বিস্মিত হয়ে যান। বর্তমানে জম জম
কুপের গভীরতা ৫১ ফুট।
এক নজরে জম জম কূপের তথ্যগুলো-
,
১/ আল্লাহ তাআলার অসীম কুদরতে
৪০০০ বছর পূর্বে সৃষ্টি হয়েছিল।
,
২/ ভারী মোটরের সাহায্যে প্রতি
সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার পানি
উত্তোলন করার পরও পানি ঠিক সৃষ্টির
সূচনাকালের ন্যায়।
,
৩/ পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়নি,
জন্মায়নি কোন ছত্রাক বা শৈবাল।
,
৪/ সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে, মাত্র
১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় কূপটি।
,
৫/ এই কূপের পানি কখনও শুকায়নি,
সৃষ্টির পর থেকে একই রকম আছে এর
পানি প্রবাহ, এমনকি হজ্ব মউসুমে
ব্যবহার ক’য়েক গুন বেড়ে যাওয়া সত্বেও
এই পানির স্তর কখনও নিচে নামে না।
,
৬/ সৃষ্টির পর থেকে এর গুনাগুন, স্বাদ ও
এর মধ্যে বিভিন্ন উপাদান একই
পরিমানে আছে।
,
৭/ এই কূপের পানির মধ্যে ক্যালসিয়াম
ও ম্যাগনেসিয়াম সল্ট এর পরিমান
অন্যান্য পানির থেকে বেশী, এজন্য
এই পানি শুধু পিপাসা মেটায় তা না,
এই পানি ক্ষুধাও নিবারণ করে।
,
৮/ এই পানিতে ফ্লুরাইডের পরিমান
বেশী থাকার কারণে এতে কোন
জীবানু জন্মায় না ।
,
৯/ এই পানি পান করলে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়...!

Comments